Your email:23@10minutemail.gq have: 4 messages Automatic search for emails

From
Subject
Time (UTC)
notification+zj4zzaf9scs6@facebookmail.com
[জাকির নায়েকের সমর্থক গোষ্ঠী] ♥ কাদিয়ানি কারা? কি তাদের আক্বিদা? কাদিয়ানিরা কি...
2015-07-30 01:37:48
notification+zj4zzaf9scs6@facebookmail.com
[জাকির নায়েকের সমর্থক গোষ্ঠী] ♥ কাদিয়ানি কারা? কি তাদের আক্বিদা? কাদিয়ানিরা কি...
2015-07-29 07:30:28
notification+zj4zzaf9scs6@facebookmail.com
[জাকির নায়েকের সমর্থক গোষ্ঠী] কুফুরী আকীদার ইবন আরাবী দেওবন্দীদের কাছে মহান
2015-07-07 18:29:05
To: 23@10minutemail.gq
From: notification+zj4zzaf9scs6@facebookmail.com
Subject:

[জাকির নায়েকের সমর্থক গোষ্ঠী] কুফুরী আকীদার ইবন আরাবী দেওবন্দীদের কাছে মহান


Received: 2015-07-07 18:29:05
(5 sec.) Created: 2015-07-07 18:29:00 (?)
        Somun Khan July 7 at 10:28pm   কুফুরী আকীদার ইবন আরাবী দেওবন্দীদের কাছে মহান শাইখ!!! ইবন আরাবী 'ওয়াহদাতুল ওযুদ' অর্থাৎ সর্বেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। যার ফলে তাদের নিকট ''মাখলুক তথা সৃষ্টি ও স্রষ্টার মাঝে কোন পার্থক্য নেই- সবাই সৃষ্টি, সবইউপাস্য''দ্বাদশ শতাব্দিতে এই মারাত্মক কুফুরী আকীদার সর্বপ্রথম প্রচলন করে দামেশকে দাফনকৃত মহিউদ্দিন ইবন আরাবী (১১৬৫-১২৪০ খ্রিস্টাব্দ)। তিনি স্পেনের মারসিয়ায়জন্মগ্রহন করেন ও দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সূফীবাদের মুখ্য বুজুর্গদের একজন ছিলেন, যিনি পৃথিবীর সকল সূফীদের দ্বারা সম্মানিত। তিনি বিশ্বাস করতেন ''স্রষ্টা মানুষের মাঝেই বিদ্যমান'' ইবন আরাবী, আল-ফুতুহাত আল- মাক্কিয়াহ ২য় খণ্ড; পৃষ্ঠা নঃ ৬০৪; আব্দুর রাহমান আল-ওয়াকিল, হাযিহী হিয়া আস-সুফীয়াহ পৃষ্ঠা নঃ ৩৫; বিলাল ফিলিপস, তাওহীদের মুলনীতিমালা; পৃষ্ঠা নঃ ১৫৩। ওয়াহ্দাতুল ওজুদের এর তাৎপর্য হচ্ছেঃ সূফীবাদের মতে স্রষ্টা এবং সৃষ্টি একই জিনিস। অর্থাৎ সৃষ্টি জীব এবং স্রষ্টা আল্লাহ তা'আলার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, উভয়ই এক ও অভিন্ন। ইবনে আরাবী এ মতেরই সমর্থক ছিল। তার মতে পৃথিবীতে যা আছে সবই মাবুদ। অর্থাৎ সবই সৃষ্টি এবং সবই মাবুদ। এ অর্থে কুকুর, শুকর, বানর এবং অন্যান্য নাপাক সৃষ্টিও মাবুদ হতে কোন বাঁধা নেই। সুতরাং তার মতে যারা মূর্তি পূজা করে তারা আল্লাহরই ইবাদত করে (নাউযুবিল্লাহ)। এক নজরে ইবন আরাবীর কুফুরী বক্তব্যঃ ১) ইবনে আরাবী তার কবিতায় বলেছেঃ বান্দাই প্রভু আর প্রভুই বান্দা। আফসোস! যদিআমি জানতাম, শরীয়তের বিধান কার উপর প্রয়োগ হবে। যদি বলি আমি তাঁর বান্দা তাহলে তো ঠিকই। আর যদি বলি আমিই রব তাহলে শরীয়ত মানার প্রয়োজনীয়তা কোথায়? ২) ইবন আরাবী আরও বলেনঃ সূফী হলেন পরিপূর্ণ বোধসম্পন্ন সে-ই, যিনি উপাসনার প্রতিটি বস্তুতে সত্য (আল্লাহর) প্রকাশ দেখেন, যার কারনে এটি উপাসিত হয়। তাই, তারা সবাই এর নির্দিষ্ট নামের সঙ্গে একে প্রভু বলে ডাকে-- তা সেটি পাথর, বৃক্ষ, জন্তু- জানোয়ার, ব্যাক্তি বিশেষ, নক্ষত্র বা ফেরেশতা যা-ই হোক। ৩) ইবনে আরাবীর মতেঃ পরিপূর্ণ মারেফত হাসিলকারীর দৃষ্টিতে আল্লাহর এবাদত ও মূর্তিপূজা একই জিনিস। ৪) ইবন আরাবীর নিকট 'বিলায়াত' তথা বুজুর্গি নবুয়ত এবং রিসালাতের চাইতেও উত্তম। ইবন আরাবী বলেনঃ নবুয়তের স্থান মধ্যম পর্যায়ের, বিলায়াতের নিচে ও রিসালাতের উপরে। দেওবন্দি আলেমগন কুফুরী আকীদার ইবন আরাবীকে একজন মহান সুফী-সন্ত মনে করেনঃ দেওবন্দিদের নিকট তাদের উচ্চমানের ফতওয়ার কিতাব ফাতাওয়া-ই-রাহিম িয়াতে মুফতি আব্দুর রহমান লাজপুরি সাহেব ইবন আরাবী সম্পর্কে একটি ফতওয়া দিতে গিয়ে তাকে আশ-শাইখ আল-আকবার (অর্থাৎ মহামতি শাইখ) বলে উল্লেখ করেছেন। ফাতাওয়া-ই- রাহিমিয়া ১ম খণ্ড; পৃষ্ঠা নঃ ৩৮ আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের বিরাট সংখ্যক মুসলিম ওয়াহ্দাতুল ওজুদ-এ বিশ্বাসীঃতাবলীগী নিসাব ফাযায়েলে আমাল বইয়ে গাঙ্গুহী তার মোরশেদ হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজির মক্কীর খেদমতে লিখিত এক চিঠিতে বলেনঃ "অধিক লেখা বে-আদবী মনে করিতেছি। হে আল্লাহ! ক্ষমা কর, হজরতের আদেশেই এই সব লিখিলাম, মিথ্যাবাদী, কিছুইনই, শুধু তোমরাই ছায়া, আমি কিছুই নই, আমি যাহা কিছু সবই তুমি" (দেখুনঃ ফাযায়েলে আমাল, দ্বিতীয় খন্ড, ১৮৫ পৃষ্ঠা) ওয়াহদাতুল ওজুদ একটি নিকৃষ্ট আকীদাহঃ তাসাউফ বা সুফীবাদ তথা আধ্যাত্মিক দর্শনের একটি মৌলিক আকিদাহ হলো ওয়াহদাতুল ওজুদ। এটা তাদের নিকট পুর্ণ তাওহীদ হিসেবে পরিগণিত। ওয়াহদাতুল ওজুদ বলতে বুঝায় একমাত্র আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্বই বিদ্যমান। কারন আল্লাহ তায়ালা হলেন অনাদি-অনন্ত, চিরস্থায়ী অস্তিত্বের অধিকারী, আর সৃষ্টি নিতান্তই ক্ষনকালীন। তাই এগুলোর অস্তিত্ব মোটেই ধর্তব্য নয়। মাওলানা রুমী বলেন,"জুমলা মাশুকাস্তও আশেক পর্দায়ে, জেন্দা মাশুকাস্তও আশেক মুর্দায়ে"অর্থাৎ সবকিছুর অস্তিত্বই অ-ধর্তব্য, অস্তিত্ববান একমাত্র আল্লাহ তায়ালা, সৃষ্টিজগত তো শুধু বাহ্যিক দৃষ্টিতে অস্তিত্ববান। সেমতে শুধু আল্লাহ অস্তিত্ববান হওয়ার অধিকারী, আর সমস্ত সৃষ্টি জগত অস্তিত্বহীন। (কালীদে মসনবী) যেমন পর্দার মধ্যে বিভিন্ন নকশা ও কারুকাজ পর্দার গুণ নয় পর্দাকারকের গুন, তেমনি সৃষ্টির মধ্যে বিদ্যমান গুণাবলী সৃষ্টির নয়, আল্লাহর গুনাবলীরই বিকাশ মাত্র। (নাউযুবিল্লাহ)। আশরাফ আলী থানবীর পীর হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজির মাক্কি ওয়াহদাতুল ওজুদ সম্পর্কে তার অনুভূতি ও ভাবধারা ব্যক্ত করে বলেনঃ "যে দিকে যে বস্তুর প্রতিই দৃষ্টি করি, তাতে তোমাকেই দেখতে পাই, অন্য আর কিছু দেখিনা।"(নাউযুবিল্লাহ) তাই মাওলানা রুমীর কবিতার ব্যাখ্যা এভাবে করা যায়ঃ "সর্বত্রই মহান প্রেমাস্পদ আল্লাহ তায়ালার বিকাশ; আর সৃষ্টি সবই পর্দাস্বরূপ। সে হিসেবে আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান।"ওহাহদাতুল ওজুদ সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করে মানুষ, এরূপ হয়ে যায় সে শুধু আল্লাহকেই দেখে। তার দৃষ্টিতে নিজের গুণ-গরিমা থাকেনা, এমনকি নিজের সত্তাও তার দৃষ্টিতে থাকে না। যেমন আয়নার ভিতরে আলো জ্বলতে দেখলে দূর থেকে শুধু আলোই দেখা যায় আয়নাদেখা যায়না এভাবে ওয়াহদাতুল ওজুদ বিশ্বাসের প্রভাবে মানুষ এক হয়ে যায়, তার নিজের গুন-গরিমা এমনকি অস্তিত্বেও আল্লাহ তায়ালার গুনাবলীর বিকাশ এতই প্রকট হয়ে যায় যে নিজের গুন-গরিমার সাথে সম্পর্ক ক্ষীণ হয়ে পড়ে এবং নিজের কিঞ্চিতকর অস্তিত্ব তার দৃষ্টিতে ধরাই পড়ে না। তার দৃষ্টি শুধু আল্লাহর প্রতিই নিবদ্ধ থাকে। এ ভাবাবেগের কারনে কেই নিজের অস্তিত্ব অস্বীকার করে আনাল হক বা আমি খোদাউক্তি করে বসে। হুসেইন বিন মনসূর হাল্লাজের 'আনাল হক' বলার তাৎপর্য এটাই। (আশরাফ আলী থানবীর ব্যাখ্যা সম্বলিত মসনবী শরীফ থেকে নেয়া। সংক্ষেপিত)। দেওবন্দীদের নিকট 'আশ-শাইখ আল-আকবার (অর্থাৎ মহামতি শাইখ)' হিসাবে পরিচিত কুফুরী আকীদার ইবন আরাবীকে যারা তাকফির করেছেনঃ ১. হাফিজ ইবনে হাজার আসকালী (রহঃ) বলেন, "আমি আমার উস্তাদ সিরাজ উদ্দীন আল-বালকাইয়ানী (রহঃ)- কে ইবনে আরাবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম তিনি সাথে সাথে উত্তর দিলেনঃ সে কাফের" (লিসানুল মীযান, ৪/৩১৩) ২. হাফিজ ইবনে দাকীক আল-ইদ, আইজুদ্দীন আব্দুল আজিজ বিন আব্দুস সালাম আস-সিমলিআদ- দামাসকী রহ. (মৃ. ৬৭০ হি)-কে ইবনে আরাবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তরে বললেনঃ "জঘন্য, মিথ্যুক, সত্য থেকে বহু দূরে অবস্থানকারী, সময়কে বৃদ্ধ এবং অপরের গুপ্তাঙ্গকে হারাম মনে করতেন না" (আল ওয়াফাহ বাল-ওয়াফইয়াত, ৪/১২৫) ৩. হাফিজ ইবনে কাসীর (রহঃ) বলেনঃ (ইবনে আরাবীর লিখিত) ফুসূস আল-হিকাম বইতে বহু বিষয় রয়েছে যা নিশ্চিত কুফরকে নির্দেশ করে। (বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ১৩/১৬৭) ৪. মুহাদ্দিস বাকা'ঈ লিখেছেনঃ "আমাদের উস্তাদ ইবনে হাজার ও ইবনে আল-আমীন নামেএক ব্যক্তি মাঝে ইবনে আরাবীকে নিয়ে মুবাহিলা হল। লোকটি বলল যদি ইবনে আরাবী পথভ্রষ্ট হয় তাহলে আমাকে অভিশপ্ত করুন। ইবনে হাজার রহ. বলেন হে আল্লাহ! ইবনে আরাবী পথভ্রষ্ট না হয়, তাহলে আমাকে অভিশপ্ত করুন। কয়েক মাসের মধ্যে লোকটি অন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করলেন"(তামবিয়াতুল ঘাবী, ১৩৬-১৩৭ পৃ) ৫. আবূ হাইয়ান মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আন্দালূসী রহ. (মৃ. ৭৪৫ হি.) বলেনঃ "যে সমস্ত কাফের ইত্তিহাদ এবং ওয়াহদাতুল ওজুদ কে দৃঢ়তার সাথে সত্যায়ন করেছে তারা হল....... ইবনে আরাবী" (তাফসীর বাহার আল-মুহীত, ৩/৪৬৪-৪৬৫) ৬. ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ রহ. লিখেছেন, "ঈমান ও এলেম সম্পন্ন কেউ আল-হীরাহ এর অর্থ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেননি, তবে কাফিরদের একদল করেছেন, যেমন 'ফুসূস আল-হিকাম'- এর লেখক ইবনে আরাবী এবং তার মতো অন্যান্য কাফেররা" (মাজমুওয়া ফাতাওয়া, ১১/৩৮৫) ৭. কাযী তাকীউদ্দীন আলী বিন আব্দুল কাফী আস-সুবকী রহ. শারহ মিনহাজ এর আল- ওয়াসাইয়াহ অধ্যায়ে লিখেছেনঃ "পরবর্তী সূফীরা যেমন ইবনে আরাবী এবং অন্যান্যরা ছিল মূর্খ, পথভ্রষ্ট এবং ইসলামের পথে থেকে বিচ্যূত" (তামবিইয়াতুল গাবিঈ ইলা তাকফীর ইবনে আরাবী, পৃ: ১৪৩)। ৮. শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ আল-ইয়াইজরী রহ. ইবন আরাবীর ফুসূস আল-হিকাম বই সম্পর্কে তার বই 'আল-ফাতওয়া আল-মুনতাশিরাহ'-তে লিখেছেনঃ "বিদ্বানগণ বলেন এই বইতে যা আছে, তার সবই কূফর এবং এই বইয়ের সবকিছুই ইত্তিহাদের বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে লেখাহয়েছে" (তামবিইয়াতুল গাবিঈ ইলা তাকফীর ইবনে আরাবী, পৃ: ১৫২)। ৯. মুল্লা আলী কারী রহ. বলেনঃ "সুতরাং আপনি যদি সত্যিকার মুসলিম এবং ঈমানদার হন, তবে ইবনে আরাবী এবং তার দলের কূফর সম্পর্কে সন্দেহ করবেন না এবং তাদের পথভ্রষ্টতা এবং অজ্ঞ পথভ্রষ্ট দলের মধ্যে আবদ্ধ হবেন না। যদি প্রশ্ন করা হয় তাদেরকে কি আগে সালাম দেওয়া জায়েয? আমি বলবো, না এবং তাদের সালামের উত্তর দেওয়াও জায়েয না। বরং আলাইকুম পর্যন্ত বলবেন না, কারণ তাদের শয়তানী ইহুদী ও খ্রীস্টানদের চাইতেও মারাত্মক, এবং তাদের সম্পর্কে ফাতাওয়া হলো তারা পাষন্ড কাফেরের দল। যে সমস্ত বই তারা লিখেছে সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা ওয়াজিব এবং তাদের শয়তানী এবং ভন্ডামী সবার নিকট প্রকাশ করা উচিত। তাদের সম্পর্কে বিদ্ধানদের নিরবতা এবং কিছু বর্ণনাকারীর মতোবিরোধ এই ফিতনার কারণ হয়ে গেছে" (রাদ আলাল ক্বাআ'লীন বি-ওয়াহদাতুল ওজুদ, পৃ: ১৫৫-১৫৬)। বুরহানুদ্দীন আল-বিকাই তার বই "তাহবিহুল গাবিঈ ইলা তাকফিরি ইবনে আরাবী" বইয়ের১৩৫ পৃষ্ঠা থেকে ১৮৩ পৃষ্ঠায় যারা ইবনে আরাবীর কুফরের কথা বলেছেন তাঁদের বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন - ১. যয়নুদ্দীন ইরাকী রহ. ২. আবূ জুরাই ভালিউদ্দীন আহমাদ ইবনে যয়নুদ্দীন রহ. ৩. ইমাম মিজ্জি রহ. ৪. ইমাম আবূ আলী ইবনে হালিল আস-সাকুতি রহ. ৫. ইজ্জ্ ইবনে আব্দুস সালামরহ. ৬. ইবনে আবুল কাসিম আস-সুলামি রহ. ৭. শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবূ হাজল আত-তালামসানি আল-হানাফী রহ. ৮. বদরুদ্দীন হুসাইন ইবনুল আহদাল সাইফুদ্দীন ইবনে আব্দুল লতিফ ইবনে বালাবান আস-সুওদি আস-সুফি রহ. ৯. ইবন দাক্বীক আল-ঈদ রহ. ১০. আবুল ফাতখ আল-ইয়ামুরি রহ. ১১. আস-সালাহ হালিল আস-সাফদি রহ. ১২. আবুল ফাতখ ইবনে সায়েদুন্নাস রহ. ১৩. মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ ইবনুল জাযারি আশ-শাফেয়ী রহ. ১৪. ইবনে কাসীর রহ. ১৫. তাকীউদ্দীন আবুল হাসান আলী ইবনে আব্দিল কাফি আস-সুবকী রহ. ১৬. কুতুবউদ্দীন ইবনে কাসতালানি রহ. ১৭. ইমামউদ্দীন ইবনে আহমাদ রহ. এবার ভাবুন কি করবেন?       Like     Comment    
   
 
   জাকির নায়েকের সমর্থক গোষ্ঠী
 
   
   
 
 
   
Somun Khan
July 7 at 10:28pm
 
কুফুরী আকীদার ইবন আরাবী দেওবন্দীদের কাছে মহান
শাইখ!!!

ইবন আরাবী 'ওয়াহদাতুল ওযুদ' অর্থাৎ সর্বেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। যার ফলে তাদের নিকট ''মাখলুক তথা সৃষ্টি ও স্রষ্টার মাঝে কোন পার্থক্য নেই- সবাই সৃষ্টি, সবইউপাস্য''দ্বাদশ শতাব্দিতে এই মারাত্মক
কুফুরী আকীদার সর্বপ্রথম প্রচলন করে দামেশকে
দাফনকৃত মহিউদ্দিন ইবন আরাবী (১১৬৫-১২৪০
খ্রিস্টাব্দ)। তিনি স্পেনের মারসিয়ায়জন্মগ্রহন করেন
ও দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সূফীবাদের মুখ্য
বুজুর্গদের একজন ছিলেন, যিনি পৃথিবীর সকল সূফীদের
দ্বারা সম্মানিত। তিনি বিশ্বাস করতেন ''স্রষ্টা মানুষের
মাঝেই বিদ্যমান'' ইবন আরাবী, আল-ফুতুহাত আল-
মাক্কিয়াহ ২য় খণ্ড; পৃষ্ঠা নঃ ৬০৪; আব্দুর রাহমান
আল-ওয়াকিল, হাযিহী হিয়া আস-সুফীয়াহ পৃষ্ঠা নঃ ৩৫;
বিলাল ফিলিপস, তাওহীদের মুলনীতিমালা; পৃষ্ঠা নঃ
১৫৩।

ওয়াহ্দাতুল ওজুদের এর তাৎপর্য হচ্ছেঃ
সূফীবাদের মতে স্রষ্টা এবং সৃষ্টি একই জিনিস। অর্থাৎ
সৃষ্টি জীব এবং স্রষ্টা আল্লাহ তা'আলার মধ্যে কোন
পার্থক্য নেই, উভয়ই এক ও অভিন্ন। ইবনে আরাবী এ
মতেরই সমর্থক ছিল। তার মতে পৃথিবীতে যা আছে সবই
মাবুদ। অর্থাৎ সবই সৃষ্টি এবং সবই মাবুদ। এ অর্থে
কুকুর, শুকর, বানর এবং অন্যান্য নাপাক সৃষ্টিও মাবুদ
হতে কোন বাঁধা নেই। সুতরাং তার মতে যারা মূর্তি পূজা
করে তারা আল্লাহরই ইবাদত করে (নাউযুবিল্লাহ)।

এক নজরে ইবন আরাবীর কুফুরী বক্তব্যঃ

১) ইবনে আরাবী তার কবিতায় বলেছেঃ বান্দাই প্রভু আর প্রভুই বান্দা। আফসোস! যদিআমি জানতাম, শরীয়তের বিধান কার উপর প্রয়োগ হবে। যদি বলি আমি তাঁর বান্দা তাহলে তো ঠিকই। আর যদি বলি আমিই রব তাহলে শরীয়ত মানার প্রয়োজনীয়তা কোথায়?

২) ইবন আরাবী আরও বলেনঃ
সূফী হলেন পরিপূর্ণ বোধসম্পন্ন সে-ই, যিনি উপাসনার
প্রতিটি বস্তুতে সত্য (আল্লাহর) প্রকাশ দেখেন, যার
কারনে এটি উপাসিত হয়। তাই, তারা সবাই এর নির্দিষ্ট
নামের সঙ্গে একে প্রভু বলে ডাকে-- তা সেটি পাথর,
বৃক্ষ, জন্তু- জানোয়ার, ব্যাক্তি বিশেষ, নক্ষত্র বা
ফেরেশতা যা-ই হোক।

৩) ইবনে আরাবীর মতেঃ পরিপূর্ণ
মারেফত হাসিলকারীর দৃষ্টিতে আল্লাহর এবাদত ও
মূর্তিপূজা একই জিনিস।

৪) ইবন আরাবীর নিকট
'বিলায়াত' তথা বুজুর্গি নবুয়ত এবং রিসালাতের চাইতেও উত্তম। ইবন আরাবী বলেনঃ নবুয়তের স্থান মধ্যম পর্যায়ের, বিলায়াতের নিচে ও রিসালাতের উপরে।

দেওবন্দি আলেমগন কুফুরী আকীদার ইবন আরাবীকে
একজন মহান সুফী-সন্ত মনে করেনঃ দেওবন্দিদের নিকট
তাদের উচ্চমানের ফতওয়ার কিতাব ফাতাওয়া-ই-রাহিম
িয়াতে মুফতি আব্দুর রহমান লাজপুরি সাহেব ইবন আরাবী সম্পর্কে একটি ফতওয়া দিতে গিয়ে তাকে আশ-শাইখ আল-আকবার (অর্থাৎ মহামতি শাইখ) বলে উল্লেখ করেছেন। ফাতাওয়া-ই- রাহিমিয়া ১ম খণ্ড; পৃষ্ঠা নঃ ৩৮

আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের বিরাট সংখ্যক মুসলিম
ওয়াহ্দাতুল ওজুদ-এ বিশ্বাসীঃতাবলীগী নিসাব
ফাযায়েলে আমাল বইয়ে গাঙ্গুহী তার মোরশেদ হাজী
ইমদাদুল্লাহ মুহাজির মক্কীর খেদমতে লিখিত এক
চিঠিতে বলেনঃ "অধিক লেখা বে-আদবী মনে করিতেছি। হে আল্লাহ! ক্ষমা কর, হজরতের আদেশেই এই সব লিখিলাম, মিথ্যাবাদী, কিছুইনই, শুধু তোমরাই ছায়া, আমি কিছুই নই, আমি যাহা কিছু সবই তুমি" (দেখুনঃ ফাযায়েলে আমাল, দ্বিতীয় খন্ড, ১৮৫ পৃষ্ঠা)

ওয়াহদাতুল ওজুদ একটি নিকৃষ্ট আকীদাহঃ তাসাউফ বা সুফীবাদ তথা আধ্যাত্মিক দর্শনের একটি মৌলিক আকিদাহ হলো ওয়াহদাতুল ওজুদ। এটা তাদের নিকট পুর্ণ তাওহীদ হিসেবে পরিগণিত। ওয়াহদাতুল ওজুদ বলতে বুঝায় একমাত্র আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্বই বিদ্যমান। কারন আল্লাহ তায়ালা হলেন অনাদি-অনন্ত, চিরস্থায়ী অস্তিত্বের অধিকারী, আর সৃষ্টি নিতান্তই ক্ষনকালীন। তাই এগুলোর অস্তিত্ব মোটেই ধর্তব্য নয়।

মাওলানা রুমী বলেন,"জুমলা মাশুকাস্তও আশেক পর্দায়ে, জেন্দা মাশুকাস্তও আশেক মুর্দায়ে"অর্থাৎ সবকিছুর অস্তিত্বই অ-ধর্তব্য, অস্তিত্ববান একমাত্র আল্লাহ তায়ালা,
সৃষ্টিজগত তো শুধু বাহ্যিক দৃষ্টিতে অস্তিত্ববান।
সেমতে শুধু আল্লাহ অস্তিত্ববান হওয়ার অধিকারী,
আর সমস্ত সৃষ্টি জগত অস্তিত্বহীন। (কালীদে মসনবী)
যেমন পর্দার মধ্যে বিভিন্ন নকশা ও কারুকাজ পর্দার গুণ
নয় পর্দাকারকের গুন, তেমনি সৃষ্টির মধ্যে বিদ্যমান
গুণাবলী সৃষ্টির নয়, আল্লাহর গুনাবলীরই বিকাশ মাত্র।
(নাউযুবিল্লাহ)।

আশরাফ আলী থানবীর পীর হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজির মাক্কি ওয়াহদাতুল ওজুদ সম্পর্কে তার অনুভূতি ও ভাবধারা ব্যক্ত করে বলেনঃ "যে দিকে যে বস্তুর প্রতিই দৃষ্টি করি, তাতে তোমাকেই দেখতে পাই, অন্য আর কিছু দেখিনা।"(নাউযুবিল্লাহ) তাই মাওলানা রুমীর কবিতার ব্যাখ্যা এভাবে করা যায়ঃ
"সর্বত্রই মহান প্রেমাস্পদ আল্লাহ তায়ালার বিকাশ;
আর সৃষ্টি সবই পর্দাস্বরূপ। সে হিসেবে আল্লাহ
সর্বত্র বিরাজমান।"ওহাহদাতুল ওজুদ সম্পর্কে
জ্ঞানলাভ করে মানুষ, এরূপ হয়ে যায় সে শুধু
আল্লাহকেই দেখে। তার দৃষ্টিতে নিজের গুণ-গরিমা
থাকেনা, এমনকি নিজের সত্তাও তার দৃষ্টিতে থাকে না।
যেমন আয়নার ভিতরে আলো জ্বলতে দেখলে দূর থেকে
শুধু আলোই দেখা যায় আয়নাদেখা যায়না এভাবে
ওয়াহদাতুল ওজুদ বিশ্বাসের প্রভাবে মানুষ এক হয়ে যায়,
তার নিজের গুন-গরিমা এমনকি অস্তিত্বেও আল্লাহ
তায়ালার গুনাবলীর বিকাশ এতই প্রকট হয়ে যায় যে
নিজের গুন-গরিমার সাথে সম্পর্ক ক্ষীণ হয়ে পড়ে এবং
নিজের কিঞ্চিতকর অস্তিত্ব তার দৃষ্টিতে ধরাই পড়ে
না। তার দৃষ্টি শুধু আল্লাহর প্রতিই নিবদ্ধ থাকে। এ
ভাবাবেগের কারনে কেই নিজের অস্তিত্ব অস্বীকার করে
আনাল হক বা আমি খোদাউক্তি করে বসে। হুসেইন বিন
মনসূর হাল্লাজের 'আনাল হক' বলার তাৎপর্য এটাই।
(আশরাফ আলী থানবীর ব্যাখ্যা সম্বলিত মসনবী শরীফ
থেকে নেয়া। সংক্ষেপিত)।

দেওবন্দীদের নিকট 'আশ-শাইখ আল-আকবার (অর্থাৎ মহামতি শাইখ)' হিসাবে পরিচিত কুফুরী আকীদার ইবন আরাবীকে যারা তাকফির করেছেনঃ

১. হাফিজ ইবনে হাজার আসকালী (রহঃ) বলেন, "আমি
আমার উস্তাদ সিরাজ উদ্দীন আল-বালকাইয়ানী (রহঃ)-
কে ইবনে আরাবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম তিনি
সাথে সাথে উত্তর দিলেনঃ সে কাফের" (লিসানুল মীযান,
৪/৩১৩)
২. হাফিজ ইবনে দাকীক আল-ইদ, আইজুদ্দীন
আব্দুল আজিজ বিন আব্দুস সালাম আস-সিমলিআদ-
দামাসকী রহ. (মৃ. ৬৭০ হি)-কে ইবনে আরাবী সম্পর্কে
জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তরে বললেনঃ "জঘন্য,
মিথ্যুক, সত্য থেকে বহু দূরে অবস্থানকারী, সময়কে বৃদ্ধ
এবং অপরের গুপ্তাঙ্গকে হারাম মনে করতেন না" (আল
ওয়াফাহ বাল-ওয়াফইয়াত, ৪/১২৫)
৩. হাফিজ ইবনে কাসীর (রহঃ) বলেনঃ (ইবনে আরাবীর লিখিত) ফুসূস আল-হিকাম বইতে বহু বিষয় রয়েছে যা নিশ্চিত কুফরকে নির্দেশ করে। (বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ১৩/১৬৭)
৪. মুহাদ্দিস বাকা'ঈ লিখেছেনঃ "আমাদের উস্তাদ ইবনে
হাজার ও ইবনে আল-আমীন নামেএক ব্যক্তি মাঝে
ইবনে আরাবীকে নিয়ে মুবাহিলা হল। লোকটি বলল যদি
ইবনে আরাবী পথভ্রষ্ট হয় তাহলে আমাকে অভিশপ্ত
করুন। ইবনে হাজার রহ. বলেন হে আল্লাহ! ইবনে
আরাবী পথভ্রষ্ট না হয়, তাহলে আমাকে অভিশপ্ত
করুন। কয়েক মাসের মধ্যে লোকটি অন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ
করলেন"(তামবিয়াতুল ঘাবী, ১৩৬-১৩৭ পৃ)
৫. আবূ হাইয়ান মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ আন্দালূসী রহ. (মৃ. ৭৪৫ হি.) বলেনঃ "যে সমস্ত কাফের ইত্তিহাদ এবং
ওয়াহদাতুল ওজুদ কে দৃঢ়তার সাথে সত্যায়ন করেছে তারা হল....... ইবনে আরাবী" (তাফসীর বাহার আল-মুহীত, ৩/৪৬৪-৪৬৫)
৬. ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ রহ. লিখেছেন,
"ঈমান ও এলেম সম্পন্ন কেউ আল-হীরাহ এর অর্থ
বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেননি, তবে কাফিরদের একদল
করেছেন, যেমন 'ফুসূস আল-হিকাম'- এর লেখক ইবনে
আরাবী এবং তার মতো অন্যান্য কাফেররা" (মাজমুওয়া
ফাতাওয়া, ১১/৩৮৫)
৭. কাযী তাকীউদ্দীন আলী বিন আব্দুল কাফী আস-সুবকী রহ. শারহ মিনহাজ এর আল- ওয়াসাইয়াহ অধ্যায়ে লিখেছেনঃ "পরবর্তী সূফীরা যেমন
ইবনে আরাবী এবং অন্যান্যরা ছিল মূর্খ, পথভ্রষ্ট এবং
ইসলামের পথে থেকে বিচ্যূত" (তামবিইয়াতুল গাবিঈ ইলা তাকফীর ইবনে আরাবী, পৃ: ১৪৩)।
৮. শামসুদ্দীন মুহাম্মাদ আল-ইয়াইজরী রহ. ইবন আরাবীর ফুসূস আল-হিকাম বই সম্পর্কে তার বই 'আল-ফাতওয়া আল-মুনতাশিরাহ'-তে লিখেছেনঃ "বিদ্বানগণ বলেন এই বইতে যা আছে, তার সবই কূফর এবং এই বইয়ের সবকিছুই ইত্তিহাদের বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে লেখাহয়েছে" (তামবিইয়াতুল গাবিঈ ইলা তাকফীর ইবনে
আরাবী, পৃ: ১৫২)।
৯. মুল্লা আলী কারী রহ. বলেনঃ "সুতরাং আপনি যদি সত্যিকার মুসলিম এবং ঈমানদার হন, তবে ইবনে আরাবী এবং তার দলের কূফর সম্পর্কে সন্দেহ করবেন না এবং তাদের পথভ্রষ্টতা এবং অজ্ঞ পথভ্রষ্ট দলের মধ্যে আবদ্ধ হবেন না। যদি প্রশ্ন করা হয় তাদেরকে কি আগে সালাম দেওয়া জায়েয? আমি বলবো, না এবং তাদের সালামের উত্তর দেওয়াও জায়েয না। বরং আলাইকুম পর্যন্ত বলবেন না, কারণ তাদের শয়তানী ইহুদী ও খ্রীস্টানদের চাইতেও মারাত্মক, এবং তাদের সম্পর্কে ফাতাওয়া হলো তারা পাষন্ড কাফেরের দল। যে সমস্ত বই তারা লিখেছে সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা ওয়াজিব এবং তাদের শয়তানী এবং ভন্ডামী সবার নিকট প্রকাশ করা উচিত। তাদের সম্পর্কে বিদ্ধানদের নিরবতা এবং কিছু বর্ণনাকারীর মতোবিরোধ এই ফিতনার কারণ
হয়ে গেছে" (রাদ আলাল ক্বাআ'লীন বি-ওয়াহদাতুল
ওজুদ, পৃ: ১৫৫-১৫৬)।

বুরহানুদ্দীন আল-বিকাই তার বই
"তাহবিহুল গাবিঈ ইলা তাকফিরি ইবনে আরাবী"
বইয়ের১৩৫ পৃষ্ঠা থেকে ১৮৩ পৃষ্ঠায় যারা ইবনে
আরাবীর কুফরের কথা বলেছেন তাঁদের বর্ণনা উল্লেখ
করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন -
১. যয়নুদ্দীন ইরাকী রহ.
২. আবূ জুরাই ভালিউদ্দীন আহমাদ ইবনে যয়নুদ্দীন রহ.
৩. ইমাম মিজ্জি রহ.
৪. ইমাম আবূ আলী ইবনে হালিল আস-সাকুতি রহ.
৫. ইজ্জ্ ইবনে আব্দুস সালামরহ.
৬. ইবনে আবুল কাসিম আস-সুলামি রহ.
৭. শিহাবুদ্দীন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবূ হাজল
আত-তালামসানি আল-হানাফী রহ.
৮. বদরুদ্দীন হুসাইন ইবনুল আহদাল সাইফুদ্দীন ইবনে আব্দুল লতিফ ইবনে বালাবান আস-সুওদি আস-সুফি রহ.
৯. ইবন দাক্বীক আল-ঈদ রহ.
১০. আবুল ফাতখ আল-ইয়ামুরি রহ.
১১. আস-সালাহ হালিল আস-সাফদি রহ.
১২. আবুল ফাতখ ইবনে সায়েদুন্নাস রহ.
১৩. মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে ইউসুফ ইবনুল জাযারি আশ-শাফেয়ী রহ.
১৪. ইবনে কাসীর রহ.
১৫. তাকীউদ্দীন আবুল হাসান আলী ইবনে আব্দিল কাফি আস-সুবকী রহ.
১৬. কুতুবউদ্দীন ইবনে কাসতালানি রহ.
১৭. ইমামউদ্দীন ইবনে আহমাদ রহ.

এবার ভাবুন কি করবেন?
 
   Like
   Comment
 
 
   
   
 
View Post
   
Edit Email Settings
 
   
   
Reply to this email to comment on this post.
 
   
   
 
This message was sent to 23@10minutemail.gq. If you don't want to receive these emails from Facebook in the future, please unsubscribe.
Facebook, Inc., Attention: Department 415, PO Box 10005, Palo Alto, CA 94303
   
 
notification+zj4zzaf9scs6@facebookmail.com
[একটি বাংলাদেশ তুমি নির্যাতিত জনতার] বন্ধুরা একটু আগে 500 টাকা রিচার্জ পেলাম। তাহলে...
2015-06-30 11:15:36

Needs more domains names? Add your own domains using emailfake.com

What is "email-fake.com" - service?

Unlimited mailboxes

You can use as many email accounts as you need.

Privacy

Letters have come to the mailbox publicly available. And at any time you can remove any messages.

Messages keep unlimited time

Messages are stored on the server until someone deletes them.

No need passwords

You do not need to register new mailboxes. Mailbox is created automatically when on it comes a letter.

Do not need to remember address

When you want to get a letter just invent your own address and check it on our website (the list of available domain names can be seen from above).

Name Generator

You can quickly think up the name with name generator - namefake.com

Hide from the sender

Sender don't know your real ip address and your location.

Support multi-language messages

Fake email service display messages of any language.

Spam block

Tired of spam in your main inbox? Then use our mail to protect yourself from Spam.

Speed and automation

You do not need to wait too much time to get a letter, a letter will appear on your screen at once.