Your email:hatem.be@add3000.pp.ua have: 1 message Automatic search for emails

From
Subject
Time (UTC)
notification+kr4ynreqskmr@facebookmail.com
[বৃষ্টি হচ্ছে ভালবাসার ডাক-পিয়ন] Plz dont hit like button without completing..
2016-02-23 20:20:32
To: hatem.be@add3000.pp.ua
From: notification+kr4ynreqskmr@facebookmail.com
Subject:

[বৃষ্টি হচ্ছে ভালবাসার ডাক-পিয়ন] Plz dont hit like button without completing..


Received: 2016-02-23 20:20:32
(4 sec.) Created: 2016-02-23 20:20:28 (?)
  অনিকেত প্রান্তর posted in বৃষ্টি হচ্ছে ভালবাসার ডাক-পিয়ন .       অনিকেত প্রান্তর 24 February at 01:20   Plz dont hit like button without completing.. #আমার_ছ্যাকার_গল্প। খুব বেশি এক্সপেরিয়েন্স নাই তবে জ্ঞান হবার পর থেকে যতটুকু নিজের বলে আছে সেটা কেই বহুদিন ধরে সাদা খাতায় কালো কালিতে লিখবো ভাবছিলাম। হ্যা শুধু কালো কালিতে লিখবো। কেন নয়? ছ্যাকা তো শোকের হয় আর শোকের প্রতীকতো কালো তাই কালো কালিতেই লিখবো। :) #প্রথম ছ্যাকা খাই ১০ কি ১২ বছর বয়সে কোন এক পড়ন্ত বিকালে।। খুব অপ্রত্যাশিত ছিলো, কি আজব ছ্যাকা তো অপ্রত্যাশিতয় হয়। যাই হোক তাকে কেনো জানি প্রচন্ড ভালোবেসে ফেলেছিলাম। খুব মনে পড়ে সে চলে যাবার পর তাকে নিয়ে আমার বিশ্রী হাতের লেখায় বড় এক নিবন্ধ লিখেছিলাম। দুঃখের বিষয় আমার শ্রদ্ধেয় আম্মা জান তা পুড়িয়ে ফেলেছিলেন। অবশ্য সেটা পুড়িয়ে ফেলার কারনটা এখন বুঝি। এখনও প্রিয় মানুষটার কিছু জিনিস আমার চোখের সামনে ভাসে। আমি এখনো হাফ হাতা শার্ট পরলে একবার হলেও হাতাতে একটা ফোল্ড করে নেই। মানুষটার ঘোলা চোখ আর হাসি এখনো চোখ বন্ধ করলে আমার সামনে তাজা ফুলের মত স্বতেজ মনে হয়। শেষ যে দিন তাকে দেখি, সে দিন পেছন থেকে যত দূর চোখ যায় দেখেছিলাম। দূভাগ্য কথা বলতে পারিনি। অসম্ভব ভালোবাসতাম কিন্তু কেনো জানি সংকোচ বোধ আমাকে আটকে রেখেছিলো। দিনটা ছিলো রোজার মাসের দ্বিতীয় দিন, হ্যা প্রথম ছ্যাকা খাবার দিন। প্রচন্ড কেদেছিলাম, প্রচন্ড রকম। তার দু দিন পর আবার তার সাথে দেখা হয়েছিলো। আমি তাকে চিনতে পারিনি। কি করে চিনবো বলুন? তার সেই সুন্দর চোখ ছিলো না। তার মুখের সেই হাসি হারিয়ে গিয়েছিলো প্রচন্ড যন্ত্রনায়। তার মুখে আদরের সেই "কাকা" ডাক আর কখনো আমার শোনা হয়নি। রোড এক্সিডেন্টে সে মারা যায়। ডাক্তাররা তাকে ক্ষত বিক্ষত করে ফেলেছিলো। সে এক জন স্বল্প বেতন ভুক্ত ড্রাইভার ছিলো। আমার রক্তের সম্পর্কের কেউ না। তবে সে আমার কাছে আমার বাবার সমতুল্য। তার কাছে আমি যতটুকু ভালোবাসা পেয়েছি তার একমাত্র হতভাগা সন্তানও তা পাইনি। আমি তাকে এখনো সেই আগের মতই নিঃস্পাপ ভালোবাসি। #দ্বিতীয় ছ্যাকা খাই যথেষ্ট প্রাপ্ত বয়সে। খুব অল্প সময়ের জন্য সে আমার জীবনে এসেছিলো। She was the precious gift from Almighty Allah for me. নিঃস্পাপ চেহারা, ছোট ছোট চোখ, খুব কিউট হাসি যদিও তার কান্না দেখার ভাগ্যই কপালে জুটেছে বেশি। মাত্র কিছু দিনের জন্য আমার জীবনে এসেছিলো। এই দিন পাঁচেক হবে হয়তো। এ কদিনেই আমার ওয়েট প্রায় ৫ কেজির মত কমে গিয়েছিলো। পাচ তলায় নিয়মিত উঠা রাত জাগা, ভুতের মত ছুটে বেড়ানো কত কি না করেছি। কিন্তু ধরে রাখতে পারিনি। গভির রাতে আমাকে না জানিয়ে চলে গিয়েছিলো। কেউ আমাকে একবারের জন্যও জানায় নি। যদিও তার কাছেই আমি ছিলাম। হয়তো বুঝতে পেরেছিলাম কিন্তু বুঝতে দেওয়া হয়নি। এখনো বুকের মাঝে দুমড়ে মুচড়ে উঠে যখন ভাবি একবারও তাকে প্রাণবন্ত অবস্থায় বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরতে পারিনি। হ্যা, আমার ছোট্ট জানটাকে আলতো করে ধরেছিলাম, খুব আদর করে বুকের মাঝে নিয়েছিলাম সাদা কাফন মুড়ে শেষ সমাধিতে পৌছে দেবার জন্য। ছোট্ট এই পরীটা ছিলো আমার বড় আপার প্রথম সন্তান। ডাক্তারদের উপর আমার প্রচন্ড রকম ঘৃনা হত, প্রচন্ড রকম রাগ হত ডাক্তার দেখলেই। হঠাৎ ডাক্তারদের কথা কেনো বলছি? হ্যা প্রথমত, আমার প্রথম মাননুষটাকে মৃত্যুর পর ক্ষতবিক্ষত করেছিলো এই ডাক্তার। আর দ্বিতীয় কারন আমার ঐ পরীটা। আল্লাহ তার হায়াত ঐ পর্যন্ত রেখেছিলো। কিন্তু প্রতিটা মৃত্যুপথযাত্রীর কাছের মানুষ গুলোয় চাই প্রযোজনের সময় একজন ডাক্তার কাছে থাক গভির রাতে যখন পরীটার অবস্থা খারাপ হয় তখন তার দ্বায়িত্বে থাকা ডাক্তার কে পায়ে ধরেও নিয়ে আসা যায়নি। যদিও হাসপাতাল থেকে তার বাসা ওয়াকিং ডিস্টেন্স। এত কাছে থেকেও তার সাহায্য পাইনি, তো কি করবো ঘৃণা চলে আসে। রাস্তার পাশে ঐ ডাক্তারের কাঁচের বাড়িটা প্রায় রাতেই মনে হয় পাথর মেরে গুড়িয়ে দেই। হয়তো এমনও হতে পারে কোন একদিন সংবাদপত্রের শিরোনাম হবে এই খবরটা। জানি না আদেও তা হবে কিনা। যদিও এখন কিছু কিছু নিবেদিত প্রাণ ডাক্তার কে দেখে ধারনাটা বদলে গেছে। পৃথিবীতে খারাপ মানুষের সংখ্যা খুব বেশি না। শুধু ভালো মানুষ গুলো নিজেদের সামনে দেখায় না। এইতো কিছু দিন আগে #তৃতীয় ছ্যাকাটা উপভোগ করেছি। যার স্বাদ পূর্নরুপে সহনশীল মাত্রায় এখনো বিদ্যমান। শরৎ কিংবা বুদ্ধদেব সাহেবের কল্পিত রুপসী চরিত্র নয়। এ এক সাদা মাটা বঙ্গ ললণা। তাকে নিয়ে বিশেষ কিছু লেখার নেই। তবে লিখলে আর শেষ হবে না হয়তো। তাই লিখছিও না। #চতুর্থ ছ্যাকার গল্পটা অল্প। আচ্ছা আপনারা কিন্তু ভাববেন না ডাক্তাররা সব সময় খারাপ হয়। শুধু ডাক্তারদের সুন্দরী হতে নেই। #পঞ্চম, হুমমমমমমম....... এটা ছ্যাকা খাওয়ার গল্প নয় এটা ছ্যাকা দেবার গল্প। এটা একাকি থেকে একাকিত্ব আর কষ্ট কে সার্থক ভাবে ছ্যাকা দেবার গল্প। এটাই আমার এ জনমে এতটুকুন সময়ে "আমার ছ্যাকার গল্প"।   Like Comment    
   
 
   Facebook
 
   
   
 
অনিকেত প্রান্তর posted in বৃষ্টি হচ্ছে ভালবাসার ডাক-পিয়ন.
 
   
অনিকেত প্রান্তর
24 February at 01:20
 
Plz dont hit like button without completing..

#আমার_ছ্যাকার_গল্প।
খুব বেশি এক্সপেরিয়েন্স নাই তবে জ্ঞান হবার পর থেকে যতটুকু নিজের বলে আছে সেটা কেই বহুদিন ধরে সাদা খাতায় কালো কালিতে লিখবো ভাবছিলাম। হ্যা শুধু কালো কালিতে লিখবো। কেন নয়? ছ্যাকা তো শোকের হয় আর শোকের প্রতীকতো কালো তাই কালো কালিতেই লিখবো। :)

#প্রথম ছ্যাকা খাই ১০ কি ১২ বছর বয়সে কোন এক পড়ন্ত বিকালে।। খুব অপ্রত্যাশিত ছিলো, কি আজব ছ্যাকা তো অপ্রত্যাশিতয় হয়। যাই হোক তাকে কেনো জানি প্রচন্ড ভালোবেসে ফেলেছিলাম। খুব মনে পড়ে সে চলে যাবার পর তাকে নিয়ে আমার বিশ্রী হাতের লেখায় বড় এক নিবন্ধ লিখেছিলাম। দুঃখের বিষয় আমার শ্রদ্ধেয় আম্মা জান তা পুড়িয়ে ফেলেছিলেন। অবশ্য সেটা পুড়িয়ে ফেলার কারনটা এখন বুঝি। এখনও প্রিয় মানুষটার কিছু জিনিস আমার চোখের সামনে ভাসে। আমি এখনো হাফ হাতা শার্ট পরলে একবার হলেও হাতাতে একটা ফোল্ড করে নেই। মানুষটার ঘোলা চোখ আর হাসি এখনো চোখ বন্ধ করলে আমার সামনে তাজা ফুলের মত স্বতেজ মনে হয়। শেষ যে দিন তাকে দেখি, সে দিন পেছন থেকে যত দূর চোখ যায় দেখেছিলাম। দূভাগ্য কথা বলতে পারিনি। অসম্ভব ভালোবাসতাম কিন্তু কেনো জানি সংকোচ বোধ আমাকে আটকে রেখেছিলো। দিনটা ছিলো রোজার মাসের দ্বিতীয় দিন, হ্যা প্রথম ছ্যাকা খাবার দিন। প্রচন্ড কেদেছিলাম, প্রচন্ড রকম। তার দু দিন পর আবার তার সাথে দেখা হয়েছিলো। আমি তাকে চিনতে পারিনি। কি করে চিনবো বলুন? তার সেই সুন্দর চোখ ছিলো না। তার মুখের সেই হাসি হারিয়ে গিয়েছিলো প্রচন্ড যন্ত্রনায়। তার মুখে আদরের সেই "কাকা" ডাক আর কখনো আমার শোনা হয়নি। রোড এক্সিডেন্টে সে মারা যায়। ডাক্তাররা তাকে ক্ষত বিক্ষত করে ফেলেছিলো। সে এক জন স্বল্প বেতন ভুক্ত ড্রাইভার ছিলো। আমার রক্তের সম্পর্কের কেউ না। তবে সে আমার কাছে আমার বাবার সমতুল্য। তার কাছে আমি যতটুকু ভালোবাসা পেয়েছি তার একমাত্র হতভাগা সন্তানও তা পাইনি। আমি তাকে এখনো সেই আগের মতই নিঃস্পাপ ভালোবাসি।

#দ্বিতীয় ছ্যাকা খাই যথেষ্ট প্রাপ্ত বয়সে। খুব অল্প সময়ের জন্য সে আমার জীবনে এসেছিলো। She was the precious gift from Almighty Allah for me. নিঃস্পাপ চেহারা, ছোট ছোট চোখ, খুব কিউট হাসি যদিও তার কান্না দেখার ভাগ্যই কপালে জুটেছে বেশি। মাত্র কিছু দিনের জন্য আমার জীবনে এসেছিলো। এই দিন পাঁচেক হবে হয়তো। এ কদিনেই আমার ওয়েট প্রায় ৫ কেজির মত কমে গিয়েছিলো। পাচ তলায় নিয়মিত উঠা রাত জাগা, ভুতের মত ছুটে বেড়ানো কত কি না করেছি। কিন্তু ধরে রাখতে পারিনি। গভির রাতে আমাকে না জানিয়ে চলে গিয়েছিলো। কেউ আমাকে একবারের জন্যও জানায় নি। যদিও তার কাছেই আমি ছিলাম। হয়তো বুঝতে পেরেছিলাম কিন্তু বুঝতে দেওয়া হয়নি। এখনো বুকের মাঝে দুমড়ে মুচড়ে উঠে যখন ভাবি একবারও তাকে প্রাণবন্ত অবস্থায় বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরতে পারিনি। হ্যা, আমার ছোট্ট জানটাকে আলতো করে ধরেছিলাম, খুব আদর করে বুকের মাঝে নিয়েছিলাম সাদা কাফন মুড়ে শেষ সমাধিতে পৌছে দেবার জন্য। ছোট্ট এই পরীটা ছিলো আমার বড় আপার প্রথম সন্তান।
ডাক্তারদের উপর আমার প্রচন্ড রকম ঘৃনা হত, প্রচন্ড রকম রাগ হত ডাক্তার দেখলেই। হঠাৎ ডাক্তারদের কথা কেনো বলছি? হ্যা প্রথমত, আমার প্রথম মাননুষটাকে মৃত্যুর পর ক্ষতবিক্ষত করেছিলো এই ডাক্তার। আর দ্বিতীয় কারন আমার ঐ পরীটা। আল্লাহ তার হায়াত ঐ পর্যন্ত রেখেছিলো। কিন্তু প্রতিটা মৃত্যুপথযাত্রীর কাছের মানুষ গুলোয় চাই প্রযোজনের সময় একজন ডাক্তার কাছে থাক গভির রাতে যখন পরীটার অবস্থা খারাপ হয় তখন তার দ্বায়িত্বে থাকা ডাক্তার কে পায়ে ধরেও নিয়ে আসা যায়নি। যদিও হাসপাতাল থেকে তার বাসা ওয়াকিং ডিস্টেন্স। এত কাছে থেকেও তার সাহায্য পাইনি, তো কি করবো ঘৃণা চলে আসে। রাস্তার পাশে ঐ ডাক্তারের কাঁচের বাড়িটা প্রায় রাতেই মনে হয় পাথর মেরে গুড়িয়ে দেই। হয়তো এমনও হতে পারে কোন একদিন সংবাদপত্রের শিরোনাম হবে এই খবরটা। জানি না আদেও তা হবে কিনা। যদিও এখন কিছু কিছু নিবেদিত প্রাণ ডাক্তার কে দেখে ধারনাটা বদলে গেছে। পৃথিবীতে খারাপ মানুষের সংখ্যা খুব বেশি না। শুধু ভালো মানুষ গুলো নিজেদের সামনে দেখায় না।
এইতো কিছু দিন আগে #তৃতীয় ছ্যাকাটা উপভোগ করেছি। যার স্বাদ পূর্নরুপে সহনশীল মাত্রায় এখনো বিদ্যমান। শরৎ কিংবা বুদ্ধদেব সাহেবের কল্পিত রুপসী চরিত্র নয়। এ এক সাদা মাটা বঙ্গ ললণা। তাকে নিয়ে বিশেষ কিছু লেখার নেই। তবে লিখলে আর শেষ হবে না হয়তো। তাই লিখছিও না।

#চতুর্থ ছ্যাকার গল্পটা অল্প। আচ্ছা আপনারা কিন্তু ভাববেন না ডাক্তাররা সব সময় খারাপ হয়। শুধু ডাক্তারদের সুন্দরী হতে নেই।

#পঞ্চম, হুমমমমমমম....... এটা ছ্যাকা খাওয়ার গল্প নয় এটা ছ্যাকা দেবার গল্প। এটা একাকি থেকে একাকিত্ব আর কষ্ট কে সার্থক ভাবে ছ্যাকা দেবার গল্প। এটাই আমার এ জনমে এতটুকুন সময়ে "আমার ছ্যাকার গল্প"।
 
Like
Comment
 
 
   
   
 
View on Facebook
   
Edit Email Settings
 
   
   
Reply to this email to comment on this post.
 
   
   
 
This message was sent to hatem.be@add3000.pp.ua. If you don't want to receive these emails from Facebook in the future, please unsubscribe.
Facebook, Inc., Attention: Community Support, Menlo Park, CA 94025
   
 

Needs more domains names? Add your own domains using emailfake.com

What is "email-fake.com" - service?

Unlimited mailboxes

You can use as many email accounts as you need.

Privacy

Letters have come to the mailbox publicly available. And at any time you can remove any messages.

Messages keep unlimited time

Messages are stored on the server until someone deletes them.

No need passwords

You do not need to register new mailboxes. Mailbox is created automatically when on it comes a letter.

Do not need to remember address

When you want to get a letter just invent your own address and check it on our website (the list of available domain names can be seen from above).

Name Generator

You can quickly think up the name with name generator - namefake.com

Hide from the sender

Sender don't know your real ip address and your location.

Support multi-language messages

Fake email service display messages of any language.

Spam block

Tired of spam in your main inbox? Then use our mail to protect yourself from Spam.

Speed and automation

You do not need to wait too much time to get a letter, a letter will appear on your screen at once.